আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ একবছর অপেক্ষার পর আবার উৎসবের সময় আসন্ন। আর কয়েকদিন পর দুর্গোৎসব। উৎসব মানে জমিয়ে আড্ডা, হৈ–হুল্লোড় এবং জমিয়ে ভুড়িভোজ। সারা বছরের এই উৎসবের মরসুমে অনেক স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিই খাওয়ার সময় ভুলে যান স্বাস্থ্যের কথা। কিন্তু উৎসবের মাসে আনন্দ উপভোগ করতে গেলে নজর রাখতে হবে বেশি জাঙ্ক ফুড ও ফাস্ট ফুড খাওয়ার কারণে কোন স্বাস্থ্য সমস্যা না হয়। কারণ অসুস্থ হয়ে পড়লে উৎসবের আনন্দই মাটি হয়ে যাবে। পুজোর আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া একসঙ্গে করে কিভাবে শরীর সুস্থ রাখবেন তা একনজরে দেখে নিন–
❏ পুজোর সময় দেখা যায় বন্ধু থেকে আত্মীয়রা মশলাদার খাওয়ার প্রতি জোর বেশি দেয়। এই খানেই মনে রাখবেন জোর করে বেশি খাবেন না। ঠিক যতটা পারবেন তাই খাবেন। সবার মন রাখতে অল্প একটু খাবার তুলে নিন। 
❏ ভাজা খাবার, ভাজা মিষ্টি এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। জাঙ্ক ফুড যেমন বার্গার‚ ফ্রেঞ্চ ফ্রাই‚ পিৎজা, কোল্ড ড্রিংকস যত কম খাবেন। স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে অনেক লো ক্যালোরি মিষ্টি, কম মশালাদার খাবার খেতে পারেন। 
❏ উৎসবের সময় বাড়িতে ‌নানা রকম পদ রান্না হয়। আবার জিভের স্বাদ মেটাতে বাইরের হোটেলে খেতে যাই। সব ধরনের পদ না দেখে খাবার সময় অল্প পরিমাণ খান। বন্ধু বা আত্মীয়দের বাড়িতে নিমন্ত্রণ থাকলে বাড়িতে অল্প পরিমাণ খাবার খান। 
❏ পুজোর ক‌য়েকদিন ফুচকা‚ পাঁপড়িচাট, ঝালমুড়ি এবং  ঝাল–মশলাদার খাবার না খাওয়াই ভাল।
❏ ‌সারা বছরের পাশাপাশি উৎসবের সময়েও দিনে কম করে ৩০ মিনিট অবশ্যই শরীর চর্চা করুন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও মারুন। কিন্তু তাদের সঙ্গে যতটা পারবেন পায়ে হেঁটে ঠাকুর দেখুন। 
❏ ‌সারা দিনের হৈ হুল্লোর মধ্যেও প্রচুর পরিমাণে জল খান। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে বেরলেও খাবার জলের বোতল সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না। 
❏ ‌বাড়িতে খাবারের সময় মেনুতে সব্জি অবশ্যই রাখবেন। কারণ সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন‚ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট‚ নিউট্রিয়েন্টস এবং ফাইবার থাকে যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। 
❏ ‌শরীরকে সুস্থ রাখতে পাড়ার পুজোতে ঢাক বাজানো বা ধুনুচি নাচে অংশগ্রহণ করুন। এতে অনেক আনন্দ ও আপনার শরীরে জমা প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি ক্ষয় হতে সাহায্য করবে। 
শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে সারা বছর আপনার স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে। শরীরচর্চা নিয়মিত করতে হবে। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখবেন নিজের ওজন যেন না বাড়ে।

জনপ্রিয়

Back To Top