‌আজকালের প্রতিবেদন: মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগল যুব তৃণমূল। সোমবার রানি রাসমণি রোডে নোটবন্দী ও বিজেপি–‌র আর্থিক নীতির বিরুদ্ধে  এক সভায় মুকুল রায়কে ‘‌কালিদাস’‌ ও ‘‌গদ্দার’‌ বলে মন্তব্য করেন ভাটপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক অর্জুন সিং। 
তৃণমূলের মহা সচিব পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, ‘‌আমায় কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেছেন, এটা কি পাল্টা হচ্ছে?‌ আমাদের বক্তব্য, আমাদের এই সভা ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলবে। গরম বুলি দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রথম পাতায় থাকার প্রতিযোগিতা নয়, আমাদের লক্ষ্য মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বাংলাকে বিশ্ব বাংলায় পরিণত করা।’ 
অর্জুন বলেন, ‘‌হঠাৎ দেখলাম মুকুল ফুল হয়ে গেল। ৭৭ হাজার বুথে নাকি মুকুলের লোক আছে।  কঁাচরাপাড়ার নিজের সাতটা বুথের এজেন্টের নাম বলুন। মুকুল, আপনি ভাববেন না নরেন্দ্র মোদি আর অমিত শাহ আপনাকে বঁাচাবেন। সেটা হবে না। আপনি গদ্দার। বিধায়ক তো দূরের কথা, আপনি যদি কাউন্সিলর ভোটেও দঁাড়ান, তা–‌ও আমি এই সভায় উপস্থিত যে কোনও একজনকে দঁাড় করিয়ে আপনাকে হারিয়ে দেব।’ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ডাকা এই সভায় অবশ্য হাজির ছিলেন না মুকুলপুত্র বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্য তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভ্রাংশু রায়। 
‌কয়েকদিন আগে এই জায়গাতেই সভা করেছিল বিজেপি। যে সভায় মুকুল রায় রাজ্য সরকার ও তঁার আগের দল তৃণমূলের সমালোচনায় সরব হন।এদিনের সভায় বক্তব্য পেশ করেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, ‘‌ভারতের রাজনীতি এখন ‘‌কন্ট্রোল’‌ করছে গুন্ডারা। আমি নিশ্চিন্ত আমাদের রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি কোনও প্রভাব ফেলতে পারবে না।’‌ 
 এদিনের সভায় নাম না করে মুকুলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও ফিরহাদ হাকিম। 
ফিরহাদ বলেন, ‘‌আজ যাঁরা বলছেন, বাংলায় পরিবর্তন আসছে, তঁাদের প্রতি আমাদের প্রশ্ন, ক’‌টা আন্দোলন করেছেন?‌ মান্নাকণ্ঠী বা কিশোরকণ্ঠী হওয়া যায়, কিন্তু মান্না বা কিশোর হওয়া যায় না। ওই পাগল–ছাগলদের নিয়ে যাঁরা সভা করেন, তঁাদের বাংলায় জায়গা নেই।’‌ 
চন্দ্রিমা বলেন, ‘‌এই রাজ্যের সভাপতি এখন একটা কোচ পেয়েছেন। বলছেন, আমাদের নোড়া দিয়েই আমাদের দঁাত ভাঙবেন। ডায়ানস্টিক পলিটিক্স বিষয়টা কী?‌ এটা তো গণতন্ত্রে নেই। দেখা যাচ্ছে, বর্গীয়কে কেউ জাপটে ধরছে, হ্যান্ডশেক করছে। এই দ্বৈত চরিত্র রাজনীতিতে চিরস্থায়ী হয় না। যাঁরা বলছেন বদলা হচ্ছে বদল নয়, তঁাদের চরিত্রের এই বদলটা কিন্তু মানুষ দেখে নিচ্ছেন। কেউ ভাবছেন, বেঁচে যাবেন, সেটা হবে না। আইন কিন্তু আইনের পথেই চলবে। আইন বুঝিয়ে দেবে কবে কোথায় কে থাকবে।’‌  

রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ের জনসভায় পার্থ চ্যাটার্জি,ফিরহাদ হাকিম। সোমবার। ছবি: অভিজিৎ মণ্ডল

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top