আজকালের প্রতিবেদন: উৎসবের দিনগুলোতে আন্দোলন নয়, আমাদের বামপন্থীদের রাস্তায় থাকতে হবে প্রহরীর মতো। বিভাজনের রাজনীতি এ রাজ্যে গোলমাল পাকানোর চক্রান্ত করছে। আর এ রাজ্যের সরকার তাতে পরোক্ষ মদত দিয়ে চলেছে। যারা উসকানি দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিস–প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টো পুজো আর ইদ নিয়ে যা মন্তব্য করছে তাতে আরএসএস উৎসাহিত। বুধবার কলকাতা জেলার লালবাজার অভিযানের শেষে এ কথা বলেছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। এদিন ‘‌চোর ধরো জেল ভরো’‌, ‘‌দাঙ্গা ঠেকাও, রাজ্য বাঁচাও’‌— স্লোগানকে সামনে রেখে লালবাজার অভিযানে শামিল হয়েছিলেন বামফ্রন্ট–সহ ১৮টি দলের সমর্থক ও কর্মীরা। সম্প্রতি জেলায় জেলায় এই অভিযানে পুলিসের সঙ্গে রক্তাক্ত সঙ্ঘর্ষ হলেও কলকাতায় এ অভিযান ছিল শান্তিপূর্ণ। রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে জমায়েত হয়ে মিছিল যায় লালবাজার অভিমুখে। লালবাজারের কিছুটা আগেই ছিল ব্যাপক পুলিসি প্রহরা। পুলিসের কড়া ব্যারিকেডে মিছিল থেমে যায়। সেখানেই চলে জনসভা। মিছিলের সামনে ছিলেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, হাফিজ আলম সাইরানি, নরেন চ্যাটার্জি, প্রবীর দেব, নিরঞ্জন চ্যাটার্জি, মানব মুখার্জি–সহ সমস্ত শরিক দলের নেতারা। সমাবেশে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, সামনেই উৎসব। দুর্গাপুজো আর ইদ পাশাপাশি। আমাদের কর্মীদের রাস্তায় থাকতে হবে প্রহরীর মতো। বাংলার সম্প্রীতির ঐতিহ্য বামপন্থীদেরই রক্ষা করতে হবে। এদিন তিনি বলেন, নবান্ন অভিযানের পরই আমরা বলেছিলাম, এবার জেলায় জেলায় নবান্ন অভিযান হবে। সমস্ত জেলা সদরে স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখে হবে অভিযান। উত্তর চব্বিশ পরগনা, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর–সহ কয়েকটি জেলায় এই অভিযানে পুলিস লাঠি চালিয়েছে। শাসক দলের কর্মীরা পুলিসকে সহায়তা করেছে, বোমা ছুঁড়েছে বলেও অভিযোগ। এভাবে রুটিরুজির দাবিতে আন্দোলনরত মানুষকে ঠেকানো যাবে না। কর্মীদের লক্ষ্য করে বিমান বসু, হাফিজ আলম সাইরানি–সহ একাধিক নেতা বলেন, স্থানীয় দাবিকে সামনে রেখেই আদায়ের লড়াই জারি রাখতে হবে। আমরা এখানে লালবাজার বা নবান্ন দখল করতে আসিনি। হকের দাবি করতে এসেছি। মুখ্যমন্ত্রীর দেখা করার সময় নেই। কলকাতা পুলিসের নগরপালেরও দেখা করার সময় নেই। পুজোর পর ফের আসব আমরা। তখন যেন নগরপাল কথা বলতে বাধ্য হন, সেভাবেই আসব আমরা। এদিনের মিছিলের প্রধান দাবি ছিল— সব বেকারের কাজ চাই। জিনিসের দামবৃদ্ধি রোধ করো। মহিলাদের সম্মান, নিরাপত্তা রক্ষা করো। আর, জেলায় জেলায় অভিযুক্তদের রেহাই দিয়ে পুলিস আন্দোলনকারী ও অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে, তাদের পরিবারকেও হেনস্থা করছে। ‌

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top