আজকালের প্রতিবেদন: স্বদেশ চ্যাটার্জি একজন সম্মাননীয় ইন্দো–আমেরিকান। যিনি নিজেকে আমেরিকান বলেন। কিন্তু ভেতরে সবসময় জেগে থাকে সোনামুখী, বেলুড়, বাংলা। আমেরিকায় ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত রণেন সেন যাঁকে বলেছেন ভারত–আমেরিকা পারমাণবিক চুক্তির অন্যতম প্রধান কারিগর। তাঁর সেই সময়ের অভিজ্ঞতার ফসল ‘বিল্ডিং দ্য ব্রিজ’। এই বইটির বাংলা রূপান্তর ‘‌পরবাসে আমার দেশ’‌। শুক্রবার সন্ধেয় গ্র‌্যান্ড হোটেলে প্রকাশ করলেন রণেন সেন।  এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা ইন্দো–আমেরিকানরা। যাঁদের বেশির ভাগই বাঙালি। রণেন সেন বই প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, পারমাণবিক চুক্তি মানে পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি নয়। এ ব্যাপারে একটা বিরাট ভুল ধারণা ছিল নানা মহলে। ওই চুক্তির পরবর্তী পরিণতি, বিশ্বের দুই বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের নৈকট্য এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পথ মসৃণ হওয়া। বইটির নানা অধ্যায় ধাপে–ধাপে ব্যাখ্যা করেন লেখক স্বদেশ চ্যাটার্জি নিজে। যেদিন জর্জ ডব্লু বুশের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ভারতের পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছিল, ২০০৮–এর সেই অক্টোবরে স্বদেশ চ্যাটার্জি হোয়াইট হাউসে বসে কাজ করেছিলেন। বইটির প্রথম দিকে আছে বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে তিনি কীভাবে হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূ্র্ণ পদে আসীন হলেন। তার পর আছে কীভাবে দু’‌দেশের পারমাণবিক চুক্তির সফল রূপায়ণে বাজপেয়ী সরকারের আমল থেকে তিনি কাজ করেছেন।

স্বদেশ চট্টোপাধ্যায়ের (‌মাঝে)‌ লেখা ‘‌পরবাসে আমার দেশ’‌ বইটির উন্মোচনে রণেন সেন ও ড.‌ বিন্ধ্যেশ্বর পাঠক (‌ ডান দিকে)। কলকাতায়, শুক্রবার। ছবি: কৌশিক সরকার

জনপ্রিয়

Back To Top