দীপঙ্কর নন্দী: রবিবার ধর্মতলায় খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে ২১ জুলাইয়ের মমতার শহিদ সভার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। ভিক্টোরিয়ার সামনেই হবে সভামঞ্চ। অন্যদিকে, এদিন হাজরায় ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার মঞ্চ থেকে রাজ্যের নেতারা বিজেপি নেত্রী রূপা গাঙ্গুলিকে আক্রমণ করেন। কেউ চাইলেন তাঁর ইস্তফা, কেউ বললেন, যে ভাষা তিনি ব্যবহার করে চলেছেন, তা বাংলার মানুষ মেনে নেবেন না। আমরা পাল্টা ভাষা ব্যবহার করতে পারব না। আমাদের রুচিতে বাধে। বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে বিজেপি নেত্রীর কোনো ধারণা নেই। মমতা সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করে তাঁকে ছোট করা যাবে না। তাঁর উন্নয়নের গতিও স্তব্ধ করা যাবে না। হাজরার সভায় এদিন ছিলেন পার্থ চ্যাটার্জি, সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মণীশ গুপ্ত, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, রতন দে প্রমুখ। মঞ্চ থেকে রাজ্য নেতারা বিজেপি–কে আক্রমণ করেন। অভিষেক বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উদ্দেশে বলেন, তিনি হুমকি দিয়েছেন, আমাদের কর্মীদের মারধর করবেন। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলছি, বুথের কোনো কর্মীর গায়ে তিনি একবার হাত দিয়ে দেখুন। অভিষেক বলেন, নরেন্দ্র মোদি যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পালন করতে তিনি ব্যর্থ। নির্বাচনের আগে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যা বলেছিলেন, তা হুবহু তিনি পালন করেছেন। বিজেপি নেতারা যদি তথ্য দিয়ে বলতে পারেন, মমতা প্রতিশ্রুতিমতো কাজ করেননি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। পার্থ বলেন, জঙ্গলমহল ও পাহাড়ে আবার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ৬৪ বার আমাদের মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে গেছেন। কেন বন্‌ধ হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে না। দিল্লির সঙ্গে পাহাড়ের নেতারা কেন কথা বলছে না?‌ আদর্শ নিয়ে মমতা রাজনীতি করেন। শত চেষ্টা করলেও তাঁকে আদর্শচ্যুত করা যাবে না। মমতা কারও কাছে মাথা নত করেননি। তিনি শুধু উন্নয়ন করছেন। আর বিজেপি নেতারা কুৎসা করছেন। কংগ্রেস, সিপিএম বিজেপি–কে মদত দিয়ে চলেছে। হাজরার মঞ্চ থেকে কেউ কেউ বলেন, বিজেপি বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে। ধর্মের সুড়সুড়ি দেওয়া হচ্ছে। বিভেদের রাজনীতি শুরু হয়েছে। বাংলার মানুষ মমতার সঙ্গেই আছেন। মমতা আছেন তাঁদের সঙ্গে। রবিবার বিভিন্ন জায়গায় ২১ জুলাইয়ের সভা উপলক্ষে মিটিং মিছিল হয়েছে। রাত পর্যন্ত চলেছে পথসভা। হাজরা থেকে তৃণমূলের নেতারা কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, অতীতের সমস্ত রেকর্ড আপনারা এবার ভেঙে দিন। দেখিয়ে দিন, মানুষ মমতার সঙ্গেই আছেন। ওই দিন সকাল সকাল ধর্মতলায় চলে আসবেন। সোমবার থেকেই ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হয়ে যাবে। শহর জুড়ে ২১ জুলাইয়ের হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার দেওয়া হয়েছে।

 

খুঁটি পুজোর মাধ্যমে শুরু ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ তৈরির কাজ। ছবি: কুমার রায়

জনপ্রিয়

মুকুলকে নিতে আগ্রহী বিজেপি

বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

চীনে মুসলিম বিরোধী শব্দ বাদ 

বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

থিম ‘‌কন্যাশ্রী’‌ বাঁধল গঙ্গা, টেমসকে  

বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

Back To Top