আজকালের প্রতিবেদন, ভোপাল:  নিজের জন্মস্থান খান্ডোয়া নিয়ে খুব গর্ব ছিল কিশোরকুমারের। পরিচয় দেওয়ার সময় বলতেন খান্ডোয়ার কথা। গানের কথায়, সিনেমার সংলাপেও সুযোগ পেলেই ঢুকিয়ে দিতেন খান্ডোয়ার নাম। সেই খান্ডোয়ায় কিশোরকুমার, অশোককুমারদের পৈতৃক ভিটে ‘‌গাঙ্গুলি হাউস’‌ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্থানীয় পুরনিগম। নোটিস জারি হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন দিক থেকে প্রতিবাদ, আপত্তির মুখে সেই সিদ্ধান্ত রদ হল। ভেঙে ফেলা তো হবেই না, বরং বাড়িটি হেরিটেজ ঘোষণা করে সেটি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় কিনা, তা নিয়ে প্রশাসন চিন্তাভাবনা করছে। জানালেন খান্ডোয়ার জেলাশাসক অভিষেক সিং৷ 
১৯২৯ সালে কিশোরকুমার মধ্যপ্রদেশের এই খান্ডোয়ার এক মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে জন্ম নেন। বাবা কুঞ্জলাল গাঙ্গুলি ছিলেন আইনজীবী। মা গৌরী দেবী। চার ভাই–বোনের মধ্যে কিশোর ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। তঁাদের বড় দাদা, অভিনেতা অশোককুমারের শৈশবও কেটেছে খান্ডোয়ার গাঙ্গুলি হাউসে৷ খান্ডোয়া পুরনিগমের যুক্তি ছিল, শতাধিক বছরের পুরনো বাড়িটি ক্রমশ জীর্ণ হয়ে পড়ছে৷ যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে৷ দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই বাড়িটি ভেঙে ফেলার নোটিস দেওয়া হয়৷ 
কিশোরকুমার বহু সময় সপরিবার ছুটি কাটিয়েছেন খান্ডোয়ার এই বাড়িতে৷ পরে তিনি নিজের অংশ মেজদা অনুপকুমারের কাছে হস্তান্তর করে দেন৷ সেই সূত্রে অনুপকুমারের পুত্র অর্জুনকুমার এখন এই বাড়ির মালিক৷ নোটিস আসে তঁার নামেই। তিনি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। পুরনিগমের নোটিসটি হাতে পান গত চার দশক ধরে গাঙ্গুলি হাউসের কেয়ারটেকার সীতারাম৷ অর্জুনকুমার জানিয়েছেন, ২০১৩ সালেই বাড়ি ভেঙে ফেলার নোটিস দেওয়া হয়েছিল৷ তখন ওরা মেনে নিয়েছিল বাড়ির অবস্থা খারাপ৷ তবে একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা হয়নি৷ তঁার অনুমতি ছাড়া ওই বাড়ি ভাঙতে পারবে না খান্ডোয়া পুরনিগম, জানিয়েছেন অর্জুন। গাঙ্গুলি হাউসে মোট ১৪টি ঘর৷ এছাড়া বাড়ির কিছু অংশ নিয়ে ১৩টি দোকান চলে৷‌‌

তিন ভাই। কিশোর, অশোক, অনুপ।

জনপ্রিয়

বিদায় ২০০০, আসছে ২০০

বুধবার ২৬ জুলাই, ২০১৭

নীতীশের সিদ্ধান্তে অপমানিত শরদ 

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

চীনে পরমাণু হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

Back To Top