অফিসে চির–‌অবহেলিত। কেউ মানুষ মনে করে না। এডিটর সাহেব ‘‌ছাগল’‌ ভাবেন। অবাক কাণ্ড, সেই ছাগলকেই এত বড় অ্যাসাইনমেন্ট। ‘যান, দিল্লি যান, গ্রেট প্রকাশ কারাতের ইন্টারভিউ নিয়ে আসুন।’‌ দিল্লি গেছি দেড়বার কি আড়াইবার, কোনও লিডারকে চিনি না। তবে হ্যাঁ, লেগে থাকলে হয়। সিপিএম অফিসে ধর্না দিতে দিতে পেয়ে গেলাম। আহা, তাঁরও মায়াদয়া আছে। চেহারা একদম কারাতের মতো। পোশাক। গলা। চশমা। নিশ্চয় করাত, ইয়ে, কারাত।
●‌ স্যার, দশ মিনিট টাইম দিলেন, থ্যাঙ্কিউ।
কারাত:‌ স্যার–‌ট্যার আপনাদের অফিসে বলবেন। ‘‌কমরেড’‌ বলুন।
●‌ পারব না স্যার। কঠিন। ওকে, মিশিয়ে বলি, কমস্যার। আপনার সাদা শার্ট, নাহলে রেডস্যার বলতাম।
কারাত:‌ আমরা তো রেগুলার স্টেটমেন্ট দিই। আবার কী জিজ্ঞেস করবেন?‌
●‌ শুরু থেকেই শুরু করি। জানেন তো, সেই যে ১৯৯৬ সালে জ্যোতি বসুকে প্রাইম মিনিস্টার হতে দিলেন না, আপনার নাম খুব ফাটল, কিন্তু কী বলব কমস্যার, আমাদের বেঙ্গলে সব্বাই আপনাকে, ছিঃ, ভিলেন বলে।
কারাত:‌ বলুক, বলুক। আমার লক্ষ্য স্থির। যা চাই, করেই ছাড়ব। কংগ্রেস–‌টংগ্রেসের সাপোর্ট নিয়ে প্রাইম মিনিস্টার?‌
●‌ জ্যোতি বসু তো পরে বলেছেন, ঐতিহাসিক ভুল।
‌‌কারাত:‌ না। ঐতিহাসিক ঠিক। এবং এরকম ঠিক পথেই চলব। আমাকে হেলেন বলল না ভিলেন বলল, এসে যায় না। লক্ষ্য স্থির।
●‌ কমস্যার, ২০০৮ সালে অসামরিক পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইউপিএ সরকার থেকে সাপোর্ট উইথড্র করলেন। জিনিসটা কী, ওটা দিয়ে কানে সুড়সুড়ি দেয় না নাকে তেল দেয়, কেউ জানে না। বাংলার বাম পাবলিক চটে লাল।
কারাত:‌ ভাল তো। যত লাল তত ভাল। সব কিছু বোঝানো যায় না। পাবলিক গবেট। বোঝানোর জন্য টাইম ওয়েস্ট করার মানে হয় না। আমরা, পার্টিকুলারলি আমি, ভুল করব না। লক্ষ্য স্থির।
●‌ সোমনাথবাবু স্পিকার থাকলে কী ক্ষতি ছিল?‌ একেবারে তাড়িয়ে দিলেন!‌ লোকটার এত কন্ট্রিবিউশন, পার্টিকে কত সার্ভিস দিয়েছেন, একেবারে কান ধরে তাড়িয়ে দিলেন!‌
কারাত:‌ না তো কী, পায়ে ধরে তাড়াব!‌ তাড়াতে হলে বিচ্ছিরিভাবে তাড়াতে হবে। এটাই আমাদের নীতি, রীতি। লক্ষ্য স্থির। জনগণের স্বার্থে সেখানে পৌঁছতে গেলে এমন করতে হয়। সোমনাথ চ্যাটার্জিকে বুঝিয়ে দিয়েছি, পার্টি কাকে বলে।
● বাংলার বহু মানুষ খেপে আছে, জানেন?‌
কারাত:‌ তাতে কী, লক্ষ্য স্থির।
● সীতারাম ইয়েচুরি আর রাজ্যসভায় নেই। সবার দুঃখ। আর আপনার চোখ ঝকমক করছে। কমস্যার, এই কাঠি কেন?‌
কারাত:‌ আপনি নিরেট গবেট। কংগ্রেসের সাপোর্ট নিয়ে রাজ্যসভায় যাবেন আমাদের সেক্রেটারি?‌
●‌ ত্রিপুরা পার্টিও তো তৈরি ছিল, হল না কেন?‌
কারাত:‌ পার্টির নিয়ম, দু’‌দফার বেশি কাউকে রাজ্যসভায় পাঠানো হবে না। কাঠি নয়, লাঠি, নিয়মের লাঠি। লক্ষ্য স্থির।
●‌ কমস্যার, একসেপশন তো হয়। কোনও অ্যাপিল করেননি, তবু নৃপেন চক্রবর্তীকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ভাল হয়েছিল। ইয়েচুরির জন্য একসেপশন করা যেত না?‌
কারাত:‌ নো। তাছাড়া, পার্টি সেক্রেটারির কত কাজ, পার্লামেন্টে বসে থাকলে চলে?‌
●‌ কমস্যার, তাহলে আসল কারণটা কী?‌ কংগ্রেস, দু’‌‌দফা, না সেক্রেটারির গুরুদায়িত্ব?‌
কারাত:‌ তিনটেই। অথবা যে–‌কোনও একটা। আসল কথা, এগোতে হবে। কাঠি, লাঠি, ঘাঁটি (‌কেরলের)‌— সব ব্যবহার করতে হবে। লক্ষ্য স্থির। 
●‌ ইয়েচুরি না–‌থাকা মানে একটা বড় ভ্যাকুয়াম। সামনের বছর কেরল থেকেও তো আনা যায়।
কারাত:‌ নো, নেভার। ভ্যাকুয়াম আবার কী। কমরেড বৃন্দা কারাত আছেন।
●‌ লক্ষ্য স্থির। লক্ষ্য স্থির। কমস্যার, কাইন্ডলি বলুন, লক্ষ্যটা কী?‌
কারাত:‌ পার্টিটাকে তুলে দেওয়া!‌‌‌‌‌

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

Back To Top