আজকালের প্রতিবেদন: আর্থিক সমীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব জানিয়ে দিল, দেশের আর্থিক অবস্থা যথেষ্টই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো। জিডিপি, কারখানার উৎপাদন, বিনিয়োগ, ঋণ, উৎপাদন ক্ষমতার ব্যবহার— সবই ক্রমশ শ্লথ হয়ে আসছে। এইসব সূচক খতিয়ে দেখেই তৈরি হয় দেশের আর্থিক স্বাস্থ্যের রিপোর্ট কার্ড, যার সরকারি নাম ‘আর্থিক সমীক্ষা’। সংসদে শুক্রবার সেই আর্থিক সমীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব পেশ করে অর্থ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, ২০১৭–’‌১৮ অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধির হার ৬.৭৫ থেকে ৭.৫ শতাংশের মধ্যে থাকার যে সম্ভাবনার কথা ফেব্রুয়ারিতে আর্থিক সমীক্ষার প্রথম পর্বে বলা হয়েছিল, তা হয়ত নাগালের বাইরেই থাকবে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়িয়ে আর্থিক অবস্থার হাল ফেরানোর জন্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সুদের হার যে আরও কমানো উচিত ছিল, আর্থিক সমীক্ষায় সে–কথা বলে চাপ বাড়ানো হয়েছে উর্জিত প্যাটেলের ওপর। তাতে অক্টোবরে সুদের হার আরও এক দফা কমার সম্ভাবনা বাড়ল। ফেব্রুয়ারিতে আর্থিক সমীক্ষার প্রথম পর্বে আশা করা হয়েছিল, রপ্তানি বাড়বে, নোট বাতিলের ধাক্কা সামলে ফিরবে খরচের পুরোনো প্রবণতা, বাড়বে বেসরকারি বিনিয়োগ, অর্থনীতির পালে লাগবে হাওয়া। আর্থিক সমীক্ষার দ্বিতীয় পর্বে স্বীকার করা হয়েছে, বিদেশি মুদ্রার বাজারে টাকার দাম বাড়ায় রপ্তানি প্রত্যাশামতো বাড়েনি। নোট বাতিলের ক্ষত থেকে রক্তক্ষরণ হয়েই চলেছে, বড় খরচে লোকের এখনও ভয়। বাজারে নগদ টাকা ঘুরছে গত বছরের চেয়ে প্রায় ২০% কম। তার ওপর কৃষিপণ্য উপযুক্ত মূল্য না পাওয়ায় যুক্ত হয়েছে কৃষিঋণ মকুবের বোঝা। প্রবল চাপের মধ্যে আছে বিদ্যুৎ এবং মোবাইল ফোনের মতো শিল্পক্ষেত্র। রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ালেও জিএসটি চালু করতে গিয়ে অর্থনীতি থমকে দাঁড়িয়েছিল কিছুদিনের জন্যে। এ সবের সঙ্গে আছে মোট আর্থিক ঘাটতি ৩.৫% থেকে ৩.২ শতাংশে নামিয়ে আনার চাপ, যার জন্য সরকারের পক্ষেও এখন খরচ বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে সামগ্রিক আর্থিক অবস্থায় ডিসেম্বরের মধ্যে কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছে না এই পর্বের সমীক্ষা।
➨ শিল্পক্ষেত্রের বৃদ্ধির হার ৮.৮% থেকে নেমে এসেছে ৫.৬ শতাংশে।
➨ সার্ভিস সেক্টরের বৃদ্ধির হার ৯.৭% থেকে নেমে এসেছে ৭.৭ শতাংশে।
➨ ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া মোট ঋণের বৃদ্ধির হার ২০১৬–’‌১৭ অর্থবর্ষের ৭% থেকে কমে হয়েছে ৬.৮%।
➨ অনাদায়ী ঋণ মোট ব্যাঙ্ক ঋণের ৯.২% থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫%।
➨ ২০১৬–’‌১৭ সালে পণ্য পরিবহণ করে রেলের আয় পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে কমেছে ৪.৫%, তবে যাত্রী–পরিবহণ করে আয় আবার বেড়েছে ৪.৫%।
➨ বিদেশি পর্যটক বেড়েছে ৯.৯%। পর্যটন শিল্পে বিদেশি মুদ্রায় আয় বেড়েছে ৮.৮%।
➨ আবাসন শিল্পের বৃদ্ধির হার ৬.৭% থেকে নেমে এসেছে ৪.৫ শতাংশে।‌

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top