‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এই অর্থবর্ষে আর্থিক অগ্রগতির লক্ষ্যমাত্রা ৬.‌৭৫ শতাংশ থেকে ৭.‌৫ শতাংশ অর্জন করা কঠিন। ডলারের তুলনায় টাকার দাম বাড়া, কৃষি ঋণ মকুব, জিএসটি চালু নিয়ে টালমাটাল অবস্থার কারণেই এমনটা হবে বলে জানিয়েছে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট। শুক্রবার সংসদে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টের দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, এই সমস্ত কারণে অর্থনীতি এখনও পুরো গতি পায়নি। সেই আর্থিক গতি অর্জন থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছে দেশ। ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টের প্রথম খণ্ড প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল আর্থিক অগ্রগতি ৬.‌৭৫ শতাংশ থেকে ৭.‌৫ শতাংশে ঘোরাফেরা করবে। কারণ হিসেবে বলা হয়, রপ্তানি বাড়বে, নোট বাতিল পরবর্তী সময়ে মানুষ ভোগ্যপণ্য কিনতে বেশি করে ব্যয় করবেন। তাছাড়া, নোট বাতিলের সময় যে সমস্ত আর্থিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল তা উঠে যাবে। 
ছ’‌মাস পরে দেখা যাচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি। জেটলি বলেছেন, বিদ্যুৎ, টেলিকম, কৃষিক্ষেত্রে চাপ বেড়েছে। আর জিএসটি চালু করার অন্তর্বর্তী পর্যায়ের কারণে মন্দার পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। তবে বলা হয়েছে, সরকার এবং আরবিআই টুইন ব্যালেন্স শিট সমস্যা দূর করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। তাতে বাজারে আস্থা আসবে। টুইন ব্যালেন্স শিট হল— কর্পোরেট সংস্থা এবং ব্যাঙ্কের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের বোঝাপড়া। কোনও একটি ক্ষেত্র ভবিষ্যতে ভাল ব্যবসা দিতে পারে বুঝে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেয় কোনও কর্পোরেট সংস্থা। কিন্তু সেই ক্ষেত্রের আশানুরুপ অগ্রগতি না হওয়ায় ব্যবসা মার খায়। ফলত, ব্যাঙ্কে আর ঋণের অর্থ ফেরত আসে না। 

জনপ্রিয়

Back To Top